1. admin@dailymuktabarta.com : admin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আশুলিয়ায় শ্রমিকদের বিক্ষোভে উত্তেজনা, বন্ধ ঘোষণা ১১ কারখানা; ইটের আঘাতে আহত পুলিশ সদস্য ক্যানসারে আক্রান্ত বিএনপি কর্মী নজরুলের মানবেতর জীবন, চিকিৎসার সামর্থ্য নেই পরিবারের। মিরপুর টেস্টে চাপে বাংলাদেশ, ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই আজ রানীর পাড়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাহসিফ সউরির মরদেহের সুরতহালে উঠে এল যেসব তথ্য বিশ্বজুড়ে ২৫ কোটি হেক্টরের বেশি ভূমি ও জলাভূমি পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ, নতুন কর্মসংস্থানের আশা জয়পুরহাট,পাঁচবিবি স্কুল ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ। গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে ওসির মতবিনিময় জয়পুরহাট,হিলি সীমান্তে বিজিবির অভিযান: প্রায় ৬০ হাজার টাকার ভারতীয় পূন্য আটক বেতন ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ প্রায় ৩ ঘণ্টা পর প্রত্যাহার করেছে শ্রমিকরা

নিরাপত্তার অভিযোগে রুমিন ফারহানা সরাইল থানা ঘেরাও 

দৈনিক মুক্তবার্তা
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

গাজী জহিরুল ইসলাম : ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনজুর কাদের ভূঁইয়ার সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে তাকে বিরাট আওয়ামীলীগ এবং দুর্নীতিবাজ আওয়ামীলীগের (ওসি) বলে জনসম্মুখে অভিযোগ করেন। সরাইল থানায় প্রবেশ করে বিভিন্ন অনিয়ম ও সাধারণ মানুষকে আইন শৃঙ্খলার কাজে সহযোগিতা না করে বিভিন্নভাবে হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় এমপি।

২২ অক্টোবর ২০২৬ রোজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ ঘটিকায় ব্রাক্ষণবাড়িয়া ২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমি ফারহানা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনজুর কাদের ভূঁইয়া কে আওয়ামী লীগের চোর ওসি হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, গত অন্তর্বর্তীকালীন ইউনুস সরকারের আমলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বে থাকা জাহাঙ্গীর আলম তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিলেন। বর্তমানেও বিএনপি সরকারের শাসনামলে দুর্নীতির শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে পুরস্কার প্রাপ্ত হবেন তিনি। সে সময় রুমিন ফারহানা কয়েক শ লোক বল নিয়ে থানায় প্রবেশ করেন। তখন রাগে, ক্ষোভে উত্তেজিত হয়ে ওসির সাথে তর্কে জড়িয়ে বলেন, আমি একজন নির্বাচিত এমপি, আমাকে নিরাপত্তা দিতে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাধ্য। কিন্তু, দুঃখের বিষয় পূজা মন্ডলে পরিদর্শনের সময় আশুগঞ্জ, এবং বিজয়নগর নিরাপত্তা দিলেও সরাইল এলাকায় পূজা মণ্ডল পরিদর্শনের সময় বার-বার ফোন করে নিরাপত্তা চাইলেও তিনি আমাকে নিরাপত্তা দেননি, আমার নিরাপত্তার বিষয়ে কর্ণপাতও করেননি। আমার কর্মীরা তাঁকে ফোন দিয়েও পাচ্ছে না, তিনি ফোন রিসিভ করছেন না। তিনি বলেন থানায় ওসির কক্ষে উপস্থিত লোকবল ব্যতীত বাহিরে ৫ থেকে ১০ হাজার জনগণ তার সাথে এসেছে, কারণ এ থানার ওসি তাকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে, এই ওসি বলেছে নির্বাচিত এমপি কে জনগণ পাহারা দেবে, সে কারণে আজ সাধারণ জনগণ আমাকে পাহারা দেওয়ার জন্য থানায় উপস্থিত হয়েছে। এমপি রুমিন ফারহানা বলেন, সরাইল থানার ইনচার ওসি সে দুর্নীতিবাজ, সাধারণ জনগণকে সেবার নামে হয়রানি করছে এছাড়া মিথ্যা মামলা দিয়ে টাকা আদায় করে নিচ্ছে, আসামী গ্রেফতার করে টাকার বিনিময় ছেড়ে দিচ্ছে, মাটিকাটা ও ইটভাটা থেকে শুরু করে বিভিন্ন চোরা-চালানি পণ্যের সুযোগ দিয়ে পর্দার আড়ালে বড় অংকের অর্থ আদায় করছে।

রুমিন ফারহানা সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি মোহাম্মদ মনজুর কাদের ভূইয়ার উদ্দেশ্য করে বলেন, আমি একজন স্থানীয় নির্বাচিত এমপি হিসেবে আমাকে নিরাপত্তা দিতে সে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মধ্যে সরাইল থানা দাঙ্গাপ্রবন এলাকা হওয়া সত্বেও কোন কোন সময় মর্মান্তিক অঘটন ঘটলে সাধারণ মানুষের জান,-মাল ক্ষয়-ক্ষতি হওয়ার পর পরিস্থিতি যখন শান্ত হয় সেই মূহুর্তে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। তার দায়িত্ব কি? সে যে-ই এলাকায় কর্মরত থাকবে সেই এলাকার আইন-শৃঙ্খলা যাতে কোন প্রকার অবনতি না ঘটে এবং সাধারণ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা দেওয়া তার কাজ। এমপি উপস্থিত সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্য করে বলেন সে কি তার দায়িত্ব পালন করতে পেরেছে? যেহেতু পারেনি সে এই পদে থাকার যোগ্য নয়, তাঁকে ব্রাক্ষণবাড়িয়া ২ আসনের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ প্রত্যাখ্যান করছে, তিনি বলেন পুলিশ সাধারণ জনগণের বন্ধু, কিন্তু সে একজন থানার কর্মকর্তা হয়ে মানুষকে হয়রানির পাশাপাশি বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আদায় করে নিচ্ছে, এলাকার সাধারণ জনগণ মনে করে তিনি সেবক ও জনগণের বন্ধু নয়, সে দুর্নীতি ও অনিয়মের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এমপির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে সরাইল থানার ওসি মোহাম্মদ মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, এক থেকে দেড়শ লোক নিয়ে গত বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর থানায় প্রবেশ করে তিনি এবং তার কর্মীরা উচ্চ-স্বরে হই-চই ও বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। ওসি আরও বলেন, এমপি রুমিন ফারহানা কিছু লোককে কু-পরামর্শ শিখিয়ে নিয়ে আসেন, আমার বিরুদ্ধে আজেবাজে কথাবার্তা বলার জন্য, যাহা আমি কখনো ভাবতে পারেনি। আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে খাওয়া-দাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি কখনো কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় কোন দাওয়াতে অংশগ্রহণ করিনা, উপজেলা কর্মকর্তা ইউএনও ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকলে সেখানে যদি খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা থাকে তাহলে অংশগ্রহণ করি।এবং টাকার বিনিময় আসামী ছেড়ে দেওয়ার খবরটি গুজব ও ভিত্তিহীন। এছাড়া সরাইল থানা হাওয়র অঞ্চলে অবস্থিত, সেখানে ইটেরভাটা পানির নিচে থাকে, তাহলে এ ধরণের গুজব খবর কোথায় থেকে পাইলেন।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD